পরিবার পরিকল্পনা
খাবার বড়ির ভূমিকাঃ বতমানে প্রচলিত খাবার বড়ির উপাদান হলো ইস্টোজেন
ও প্রজেস্টেরন হরমোন ৷ ইস্টোজেন হরমোনের উপর ভিত্তি করে খাবার বড়ির প্রকার wbb©q করা হয় ৷ এছাড়া শুধুমাÎ প্রজেস্টেরন সমৃদ্ধ মিনিপিল গভনিরোধক ববড়ি হিসেবে কাজ
করা হয় ৷ বাংলাদেশে খাবার বড়িই হলো সe©vধিক
ব্যবহত জন্মনিয়ন্তন পদ্ধতি ৷
কাh©©কারিতাঃ মিশ্র
খাবার বড়ি গ্রহন করলে শতকরা প্রায় ৯৯.৭ ভাগই কাযকারী হয়ে থাকে ৷ খাবার বড়ির Kvh©KvwiZv wbf©i করে নিয়মিত
এবং সঠিক ভাবে গ্রহন করার উপর ৷ হঠাৎ করে খাবার বড়ি খাওয়া বন্ধ করে দিয়ে কোনো
পদ্ধতি ছাড়া সহবাস করলে Mf©সঞ্চার
হতে পারে ৷
খাবার বড়ি যেভাবে কাজ করেঃ খাবার বড়ি খাওয়ার ফলে সারভিক্রের শ্লেষ্মাকে ঘন
করে শুক্রকীটকে জরায়ুতে প্রবেশে বাধা দেয় ৷ ডিম্ববাহী নালীর স্বাভাবিক নড়াচড়া গতি
কমিয়ে দেয় ফলে শুক্রকীট গতি কমে যায় বলে ডিম্বের কাছে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে
বেশী সময় লাগে এবং শুক্রকীটগুলো দুবল হয়ে পড়ে বা মারা যায় ৷
খাবার বড়ির সুবিধাঃ সঠিকভাবে বড়ি খেলে এটি অত্যান্ত Kvh©Kvwi ও
নিরাপদ ৷ এটি একটি অস্থায়ী পদ্ধতি যেকোন সময় বড়ি ছেড়ে দিলে অন্য পদ্ধতি গ্রহন করা
যায় ৷ ইহা জরুরি Mf©নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয় ৷
অসুবিধাঃ খাবার বড়ি প্রতিদিন খেতে হয় ৷ তাছাড়া মাসিক
বন্ধ থাকতে পারে বুকের দুধ কমে যেতে পারে
৷ খাবার বড়ি খাওয়ার প্রথম দিকে কারো কারো ‡ÿ‡Î ৩-৪ মাসের মধ্যে ছোট খাটো সমস্যা দেখা দিতে পারে ৷
যেমনঃ বমি বমি ভাব ,মাথা ধরা ,মুখে
ব্রন,ওজন বৃদ্ধি হতে পারে ৷
ইনজেকশনঃ বাংলাদেশে জাতীয় পরিবার পরিকল্পনার কাযক্রমে
শুধুমাÎ প্রজেস্টেরন
সমৃদ্ধ ইনজেকশন প্রচলিত আছে যার বানিজ্যিক নাম ডিপো-প্রোভেরা ৷ এটি একটি বহুল
ব্যবহত এবং অত্যন্ত Kvh©Ki জন্মনিয়ন্ত্রন
পদ্ধতি ৷
ইনজেকশনের Kvh©কারিতাঃ প্রতি ১০০ জন মহিলার ক্ষেএে বছরে এই পদ্ধতির e¨_©তার হার শতকরা ০.৩ জনের কম অথ্যাৎ প্রতি ১০০০ জনে মাএ ৩
জন মহিলা Mf©ধারন করে ৷
ইনজেকশন কীভাবে কাজ করেঃ জরায়ুর মুখে নিঃসৃত রসকে ঘন ও আঠালো করে যার
ফলে জরায়ুর শুক্রকীট প্রবেশে বাধার সৃস্টি হয় ৷ এটি ডিম্বস্ফুোটনে বাধা দেয় ৷
সুবিধাঃ অত্যান্ত কাযকারী এবং নিরাপদ জন্মনিয়ন্তন
পদ্ধতি এর গোপনীয়তা রক্ষা করে নেওয়া যায়৷ প্রতিদিন খাওয়া বা ব্যবহার করার ঝামেলা থাকেনা ৷একটি ইনজেকশন কমপক্ষে ৩ মাস
পযন্ত গভসঞ্চার বাধা দান করে ৷ অস্থায়ী পদ্ধতি কাজেই পদ্ধতি ছেড়ে দিলে পুনরায়
সন্তান ধারন করা সম্ভব৷
অসুবিধাঃ মাসিক চক্রের অনিয়ম, ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব বা অনিয়মিত রক্তস্রাব,মাসিক বন্ধ
থাকা ,ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে ৷ ইনজেকশন নেয়া বন্ধ করার পর পুনরায় সন্তান ধারন করতে
সাধারনত ৬-১২ মাস সময় লাগতে পারে ৷
ইনজেকশন ও খাবার বড়ি অস্থায়ী পদ্ধতি ৷ যেকোন
একটি পদ্ধতি গ্রহীতাকে দেওয়ার আগে কাউন্সেলিং করতে হবে ৷ গ্রহীতা জেনে বুঝে যেকোনো
একটি পদ্ধতি গ্রহন করে থাকে ৷
Please Ask Any Question on Comments Box. I Shall Try To Tell Answer. Thanks
